ক্রেতা গাইড · সাজ
শাড়ির সাথে গহনা: কোন শাড়িতে কী মানায়
ভালো শাড়ি পরেও সাজটা যদি না জমে, দোষটা প্রায়ই গহনার। বেশি ভারী গয়না হালকা শাড়িকে চাপা দেয়, আবার জমকালো শাড়ির সাথে নামমাত্র গহনা ফ্যাকাশে লাগে। নিচে শাড়ি ধরে ধরে কী মানায় তা সাজিয়ে দিলাম — উৎসব থেকে অফিস, সব ক্ষেত্রেই কাজে লাগবে।
জামদানি ও সুতি শাড়ি
জামদানির নিজের নকশাই যথেষ্ট কথা বলে, তাই গহনা হালকা রাখুন। একজোড়া সিল্ক থ্রেড জুমকা আর হাতে কয়েক গাছি সিল্ক থ্রেড চুড়ি — ব্যস। গলা ফাঁকা রাখলে আঁচলের কাজ চোখে পড়ে বেশি। সুতি শাড়িতেও একই নিয়ম, রঙিন ছোট দুল দিনের সাজে দারুণ।
সিল্ক ও জমকালো শাড়ি
রাজশাহী সিল্ক বা বেনারসির মতো চকচকে শাড়ি ভারী গহনা টানতে পারে। এখানে কুন্দন কানের দুল আর সঙ্গে মানানসই একটা হাতে গাঁথা হার পুরো সাজটা বেঁধে দেয়। বিয়ে বা গায়ে-হলুদে এই কম্বিনেশন নিরাপদ বাজি।
নকশী কাঁথা ও দেশি শাড়ি
নকশী কাঁথা শাড়ির রঙিন সেলাইয়ের সাথে মাটির ঘরানার গহনা — পুঁতি, কাঠ বা সিল্ক থ্রেডের কাজ — সবচেয়ে মানায়। সোনালি চকচকে ভারী সেট এখানে বেমানান। খোঁপায় একটা হাতে তৈরি কাঁটা বা ফুল যোগ করলে দেশি লুকটা সম্পূর্ণ হয়।
৩টি সহজ নিয়ম
এক, শাড়ি জমকালো হলে গহনা হালকা, শাড়ি সাদামাটা হলে গহনায় জোর দিন — দুটোই একসাথে ভারী হলে সাজ ক্লান্ত লাগে। দুই, কান, গলা আর হাত — এই তিনের যেকোনো দুটোতে জোর দিন, তিনটাতেই নয়। তিন, রঙ মেলানোর দরকার নেই, বরং একটা মানানসই কনট্রাস্ট খুঁজুন — নীল শাড়িতে সোনালি বা মেরুন দুল চোখ টানে।